ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে আসানি

ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে আসানি। প্রবল ঘূর্ণিঝড় থেকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের সীমানা থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
 
মঙ্গলবার (১০ মে) রাতে আবহাওয়া অফিসের বুলেটিন-১৪ তে বলা হয়েছে, পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় আসানি পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৩৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৬০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
 
এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
 
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
 
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
 
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে। এছাড়া রাজধানীসহ দেশের অন্যন্য স্থানেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হচ্ছে। ঢাকায় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১৩ মিলিমিটার বর্ষণ হয়েছে। আর এই সময়ে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে তাড়াশে, ৫৭ মিলিমিটার।

সর্বশেষ সংবাদ

আবহাওয়া এর আরো খবর