ইউক্রেন কি আর এক আফগান বা ভিয়েতনাম হতে চলেছে
জুলফিকার মুর্তজা বাদল

ইতিহাস ও যুদ্ধের পটভূমি
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের এক স্টেট ছিল ইউক্রেন। বর্তমানে ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। বক্ষমান বিষয় আলোচনার আগে আমরা দেশটি নিয়ে  কিছুটা আলোকপাত করতে পারি।
আয়তনে রাশিয়ার পরে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটিতে প্রায় ৪ কোটি ৩৬ লক্ষ অধিবাসীর বাস। ফলে ইউক্রেন ইউরোপ মহাদেশের ৮ম সর্বোচ্চ জনবহুল দেশ। কিয়েভ ইউক্রেনের রাজধানী।
ইউক্রেন উর্বর সমভূমি ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। দেশটির অর্থনীতি উন্নত এবং এর কৃষি ও শিল্পখাত যথেষ্ট বড়। ইউক্রেন বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম শস্য রপ্তানিকারক দেশ।
১৭শ ও ১৮শ শতকে এখানে কসাক রাজ্যের উত্থান ঘটলেও পরবর্তীতে তা পোল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। রুশ বিপ্লবের পরে ১৯১৮ সালে ইউক্রেনে একটি জাতীয়তাবাদী আত্মনিয়ন্ত্রণবাদী আন্দোলনের জের ধরে এখানে একটি বলশেভিক সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় ও ইউক্রেন গণপ্রজাতন্ত্র রাষ্ট্রটি আত্মপ্রকাশ করে। ১৯২২ সালে ইউক্রেনীয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের চারটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের একটি ছিল।
১৯৯১ সালের ইউক্রেন স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং ১লা ডিসেম্বর এক গণভোটে ইউক্রেন-এর প্রতি ইউক্রেনের জনগণ সমর্থন দেয়। ইউক্রেনের এই ঘোষণা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে একটি বড় ভূমিকা রাখে।
স্বাধীনতার পরে ইউক্রেন নিজেকে একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়। দেশটি রাশিয়া ও অন্যান্য স্বাধীন রাষ্ট্রসংঘের (প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র) সাথে সীমিত সামরিক অংশীদারিত্বে যোগ দেয়। কিন্তু একই সাথে এটি ১৯৯৪ সালে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটেও (ন্যাটো) যোগদানের আবেদন করে।
এছঅড়াও ২০১৬ সালে ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য এলাকার অর্থনৈতিক অংশটিতে যোগ দেবার আবেদন করে।
২০২১ সালের শেষ দিকে প্রশিক্ষণ অনুশীলনের কথা বলে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে সেনা জড়ো করা শুরু করে রাশিয়া।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে।
এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটের সূত্রপাত করে, ৩.৯ মিলিয়নেরও বেশি ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়েছে, এবং আরও লক্ষাধিক অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
২০১৯ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে  সাবেক কৌতুক অভিনেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি জয়ী হন। তিনি একজন ইহুদী। উল্লেখ্য যে ইসরাইলের পরে সর্বাধিক ইহুদী দেশটিতে বাস করে।
ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্ষমতা গ্রহনের পর ক্রমেই দেশটি ইসরাইল-আমেরিকা ও ন্যাটোর দিকে ঝুকে পড়ার কারণেই রাশিয়া তার জাতীয় নিরাপত্তার কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং যার ফলশ্রুতিতে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
 
ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ কি দীর্ঘ হবে
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ ১০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। তবে কি ইউক্রেন আর একটি ভিয়েতনাম বা আফগানিস্থান হতে চলেছে।
ন্যাটোভূক্ত দেশগুলোর কথাবার্তা শুনে মনে হয় তারা চান যুদ্ধ দীর্ঘ হোক। কারণ এভাবে যুদ্ধ করতে করতে রাশিয়া দুর্বল হয়ে পড়ুক এটাই তাদের সহজতম চাওয়া!
কদিন আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও বলেছেন, আগামী বছরের শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে বলে তার ধারণা।
তবে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ যে দীর্ঘ হবে, সে কথা আগেই বলেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এই যুদ্ধে সফল হলে ইউরোপ জুড়ে দুর্দশা বাড়বে ও বিশ্বে ভয়াবহ পরিণতি তৈরি হতে পারে বলে তিনি জানান।
 
ন্যাটো কী চায়
এদিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের যুদ্ধ দীর্ঘ হবে বলে ইউক্রেনকে সহায়তা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো।
সম্প্রতি ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এক সম্মেলনে বলেন,“দীর্ঘ সময়ের জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।এই যুদ্ধ দীর্ঘদিন চলার সম্ভাবনা আছে, এটি কয়েক মাস এবং কয়েক বছরও স্থায়ী হতে পারে।তাই, ইউক্রেনের মিত্ররা দেশটিতে ন্যাটো-মানের অস্ত্র দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
 
অপরদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সহায়তা দিতে কংগ্রেসের কাছে ৩৩ বিলিয়ন (তিন হাজার ৩০০ কোটি) মার্কিন ডলার চেয়েছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন—যুক্তরাষ্ট্র ‘রাশিয়া আক্রমণ করবে না।’
জো বাইডেন এক ভাষণে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, চুক্তিটি অনুমোদন করা ‘অত্যন্ত জরুরি’, কারণ এটি ইউক্রেনকে আত্মরক্ষা করতে সহায়তা করবে।
বিবিসি জানায়, ইউক্রেনকে জো বাইডেনের সহায়তা প্যাকেজের প্রস্তাবের মধ্যে দুই হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে সামরিক খাতে। আর, অর্থনৈতিক সহায়তা খাতে ৮৫০ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং ৩০০ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে মানবিক সহায়তা খাতে।
 
জো বাইডেনের মতে ‘এটি সস্তা কোনো সাহায্য নয়। কিন্তু, আগ্রাসনের কাছে নতি স্বীকার করে সেটিকে চলতে দিলে এর চেয়ে বেশি মূল্য চুকাতে হবে বলে তিনি মনে করেন।        
অনেকেরই ধারণা ছিলো ইউক্রেনে রাশিয়ার আভিযান দ্রুততম সময়ে শেষ হবে। কিন্তু ৩মাস অতিবাহিত হলেও যুদ্ধ থামার কোনোই সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে না।
এদিতে  ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ রুশ বাহিনীকে হটানোর দাবি করে  বলেছেন, রাশিয়ার এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৮০০ সেনা নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটি ৪০০ সেনা হারিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এক ফেসবুক বার্তায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আগ্রাসন শুরু পর মস্কো ৯৮০ টি ট্যাংক, ২ হাজার ৩৮৯টি সাঁজোয়া যান, ১৮৭ টি প্লেন এবং ১৫৫টি হেলিকপ্টার হারিয়েছে।
 
যুদ্ধে রাশিয়া জিৎলে কী হবে
অনেকের আশংকা রাশিয়া ইউক্রেন দখল করলে পুতিন প্রতিবেশী জর্জিয়া মলদোভায় হামলা করতে পারেন। তার বক্তব্যে পুতিনকে মরিয়া ও বেপরোয়া হিসেবে অভিহিত করেন,
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন সংকটকে অবশ্যই একটি অনুঘটক হিসেবে ব্যবহার করা উচিত, যাতে পশ্চিমের দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে অবস্থান পাল্টানো যায়। এদিকে যুক্তরাজ্যের বিশ্বজুড়ে কৌশলগত জোট তৈরি করতে হবে এবং আগ্রাসনকারীদের ঠেকাতে অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি ৭-এর অবশ্যই একটি অর্থনৈতিক ন্যাটো হিসেবে এবং সবার সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় কাজ করতে হবে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন এ কথা বলছেন, একই দিনে ইউক্রেনে হস্তক্ষেপ করার ব্যাপারে পশ্চিমাদের সতর্ক করেছেন পুতিন। ‘কৌশলগত নিরাপত্তা’ হুমকির মুখে পড়লে রাশিয়া অস্ত্র ব্যবহারে পিছপা হবে না বলে প্রেসিডেন্ট পুতিন হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। গতকাল সেন্ট পিটার্সবার্গে আইনপ্রণেতাদের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। ইউক্রেনে কোনো দেশ যদি ‘হস্তক্ষেপ’ করে, তা হলে মস্কোর পক্ষ থেকে দ্রুত জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে যে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রুশ বাহিনী। তাকে আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলোর রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশটির জ্বালানি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। এদিকে পশ্চিমাদের একের পর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রুশ বাহিনী এখনো ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
 
যুদ্ধের রিমোট কন্ট্রোল কার হাতে?
তবে ইউক্রেন যুদ্ধ কতদিন চলবে, তার পুরোপুরি নির্ভর করছে রাশিয়ার সিদ্ধান্তের ওপর। বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘কেবল বৈঠকের মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি টানা সম্ভব নয়। এই যুদ্ধ আসলে তখনই শেষ হবে, যখন রাশিয়া এটি থামাতে আন্তরিক হবে। তবে তার আগে প্রয়োজন একটি যুদ্ধবিরতি; আর সেটি আসতে পারে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে, যা এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করতে সোমবার রাশিয়া সফরে যান গুতেরেস। পরের দিন পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তার। যুদ্ধের সমাপ্তি টানার পাশাপাশি ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মারিপোলসহ দেশটির যেসব অঞ্চল রুশ বাহিনীর দখলে গেছে, সেসব এলাকায় মানবিক সহায়তা প্রদান ও বেসামরিক লোকজনদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে রাশিয়ার সহযোগিতা চান জাতিসংঘের মহাসচিব।
এর জবাববে পুতিন বলেছেন, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রসের যদি সহায়তা কার্যক্রম ও বেসামরিক লোকজনদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে, সে ক্ষেত্রে মস্কো তাতে আদর্শগত সমর্থন দেবে।
 
কেন এই যুদ্ধ
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমনের সংকেত দেখা গিয়েছিল জানুয়ারীতেই। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকেই আশঙ্কাকে সত্যি করে হামলা চালান ভ্লাদিমির পুতিন। করোনা মহামারিতে শেষ না হতেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেই ঘোষণা করেন ইউক্রেনে রুশ হামলার কথা।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতের নেপথ্যে মূল কারণ হিসেবে রয়েছে ন্যাটো। ন্যাটোর আওতায় রয়েছে ৩০টি দেশ। আর এই গোষ্ঠীভুক্ত হওয়ার চেষ্টায় রয়েছে ইউক্রেন। এ ঘটনা নিয়েই মূলত দেশ দুটির মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।
বিভিন্ন ইস্যুতে আগে থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো নয়। যুক্তরাষ্ট্রই ন্যাটোভুক্ত দেশের মাতব্বর। ইউক্রেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশগুলোর সঙ্গে তারাও ন্যাটোতে যোগ দিতে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একই জোটে অংগ রাষ্ট্র ইউক্রেনকে দেখতে চায় না রাশিয়া। এদিকে ইউক্রেনের জন্য ন্যাটো দহররম-মহররম মস্কোকে ভাবিয়ে তোলে।
ন্যাটোভুক্ত যেকোনো দেশে বহিরাগত আক্রমণের ক্ষেত্রে বাকি সদস্যদেশগুলোর সহায়তা পেয়ে থাকে। রাশিয়ার প্রতিবেশী ইউক্রেন যদি ন্যাটোতে প্রবেশ করে, তাহলে তাকে সামরিক সহায়তা করতে আসবে ন্যাটেভূক্ত দেশগুলো। যা হবে প্রায় রাশিয়ার পেটের মধ্যে ন্যাটোর   আর এএআ কারনেই রাশিয়া এমন রাগান্নিত।
২০১৪ সালেও রাশিয়া ইউক্রেনে প্রবেশ করে ছিল। তখন প্রেসিডেন্ট পুতিন সমর্থিত বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বেশ বড় একটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এরপর থেকেই তারা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করে আসছে।
তুরস্ক বিবদমান দুটি রাষ্টের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা-চরিত্র চালিয়ে গেলেও তা তেমন সাফল্যজনক নয়।
তাই এই যুদ্ধ কখন থামবে তা বলা মুশকিল।
 
 

সর্বশেষ সংবাদ