রেকর্ড গড়া হলো না বাংলাদেশের

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো বাংলাদেশকে। তবে রেকর্ড গড়তে পারলো না নুরুল হাসান সোহানের দল। বাংলাদেশও জিম্বাবুয়ের কাছে হার দেখেছে ১৭ রানে। হারারেতে আজ টসে জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৫ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান করে থামে বাংলাদেশ। ম্যাচ হারলেও বাংলাদেশের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান চেষ্টা চালিয়ে গেছেন শেষ পর্যন্ত। ২৬ বলে ১ চার ও ৪ ছয়ে ৪২ রান করে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। তবে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি অন্য কেউ। ম্যাচে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। তবে ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার যেন চাপেই ছিলেন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ৮ বলে ৪ রান করে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার শিকার হয়ে ফেরেন। মুনিমের বিদায়ের পর ৩৪ বলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান লিটন দাস ও আনামুল হক। ১৯ বলে ৬ চারে ৩২ রান করে লিটন রান আউটের শিকার হয়ে ফিরলে ভাঙে জুটিটি। এই ম্যাচে ২০ রান করার মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ টাইগার ব্যাটসম্যান হিসেবে হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লিটন। এই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর বিজয় এবং আফিফ হোসেনও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। বিজয় ২৭ বলে ২ ছয়ে ২৬ এবং আফিফ ৮ বলে ১০ রান করে ফেরেন। তাদের বিদায়ের পর পঞ্চম উইকেটে শান্তর সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন সোহান। শান্ত ২৫ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩৭ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর মোসাদ্দেক ১৩ রান করে ফিরলে একা চেষ্টা চালান সোহান। তবে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। এর আগে বাংলাদেশি তিন পেসার দেদারসে রান বিলানোতে দুইশ পেরোনো স্কোর পায় জিম্বাবুয়ে। তিন পেসারই ওভারপ্রতি ১০ এর বেশি করে রান দেন। অন্য বোলাররাও করেন এলোমেলো বোলিং। ফিল্ডারদের হাত থেকে বল ফসকে যাওয়া ছিল বেশ দৃষ্টিকটু। জিম্বাবুয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ারপ্লে শেষেই ২ উইকেটে ৪৩ রান করে ফেলে। এরপর থেকে মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকেন শন উইলিয়ামস, ওয়েসলি মাধবেরে এবং সিকান্দার রাজা। এরমধ্যে চারে নামা উইলিয়ামসকেই কেবল ফেরাতে পারে বাংলাদেশ। এই বাঁহাতি করেন ১৯ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৩৩ রান। এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে সিকান্দার রাজার সঙ্গে ৯১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন মাধবেরে। যেখানে রাজা ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। ২৩ বলে ফিফটি তুলে শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিনে নামা মাধবেরে ৪৬ বলে খেলেন ৯ চারে ৬৭ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ৫০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। এছাড়া মোসাদ্দেক ২১ রানে নেন ১ উইকেট। অন্য পেসারদের মধ্যে তাসকিন ৪২, শরিফুল ৪৫, নাসুম ৩৮ রান দেন নিজেদের ব্যক্তিগত ৪ ওভারে।

সর্বশেষ সংবাদ

খেলা এর আরো খবর