ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ

দু’এক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল। মহামারি করোনার কারণে গেল দু’বছর বন্ধ থাকলেও এবছর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা এ খবর  জানিয়েছেন।
 
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শনিবার (৩০ এপ্রিল) সরেজমিন পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
 
ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, করোনা মহামারি অতিক্রম করে দুই বছর পরে ঢাকাবাসী যাতে আবারও জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে পারেন, সেই আয়োজন আমরা সম্পন্ন করেছি। জাতীয় ঈদগাহ ময়দান সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। চারিদিকে সাজ সাজ রব।
 
এছাড়াও প্রধান ঈদ জামাতের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। এর মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করছি। যাতে ঢাকাবাসী জাতীয় ঈদগাহে এসে ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
 
ঢাকাবাসীকে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি ঢাকাবাসীকে আসন্ন ঈদুল ফিতরের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানান। আর সবাই যেন একসাথে ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারি, সেজন্য তিনি ঢাকাবাসীকে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের আমন্ত্রণ জানান।
 
ব্যারিস্টার শেখ তাপস জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসাথে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারবেন। সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
 
পরিদর্শনকালে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফজলে শামসুল কবির, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. জাফর আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুর রহমান ও মুন্সী মো. আবুুল হাশেম, অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন, রমনা বিভাগের (ট্রাফিক) উপ-পুলিশ কমিশনার জয়দেব চৌধুরী ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মিথুন চন্দ্র শীল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মেয়রের পরিদর্শনকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, গণপূর্ত অধিদফতর এবং র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী এর আরো খবর