পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’

‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’। পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ২৭ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়।
 
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।
 
দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭টায় আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সামনের সড়কে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
 
করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বিদেশিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ ছিল। অবশেষে সোমবার থেকে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটক আসার বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সোমবার আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। 
 
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। পর্যটন শিল্পে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ও টেকসই পর্যটন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।”
 
জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়।
 
এ দিকে করোনার কারণে যেসব শিল্পখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে পর্যটন অন্যতম। বাংলাদেশেও পর্যটনে শৃঙ্খলা ফেরাতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়। তবে তা পিছিয়ে যায় করোনার কারণে। সুপরিকল্পিত পর্যটন বিকাশে এ খাতের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। ১৮ মাসে এ পরিকল্পনার কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সেটি করোনার কারণে পেছানো হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ পরিকল্পনার কাজ শেষ হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা। 
 
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন বলেন, “আমরা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে সভা করেছি। এই পরিকল্পনার কাজ শেষ হলে একটি সুপরিকল্পিত পর্যটন উপহার পাবে দেশ।”
 
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, “এ মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা পর্যটনকে একটি সুপরিকল্পিত গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারব। এতে দেশের পর্যটন শিল্পের চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে।”