আন্তর্জাতিক সিডও দিবস আজ

আজ ৩ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক সিডও দিবস’। ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও) গৃহীত হয়। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সনদটি কার্যকর হতে শুরু করে। এরপর থেকেই এই সনদে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো প্রতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সিডও দিবস হিসেবে পালন করে।
 
বাংলাদেশ এই সনদ অনুমোদন করে ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর। অনুমোদনকালে বাংলাদেশ সরকার সিডওর ১৬টি ধারার মধ্যে ৪টি ধারা-২, ১৩ (ক) এবং ১৬.১ (গ) ও (চ) ধারায় আপত্তিসহ স্বাক্ষর করে। পরে জাতীয় পর্যায়ে গঠিত রিভিউ কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ১৩ (ক) ও ১৬.১ (চ) ধারা থেকে বাংলাদেশ তার আপত্তি প্রত্যাহার করে নেয়। তবে ধারা ২ এবং ১৬.১ (গ) ধারায় আপত্তি বহাল রেখেছে। সিডওর ২নং ধারাকে বলা হয়ে থাকে সিডওর প্রাণ। সিডও সনদের ২ নম্বর ধারায় বলা আছে, নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য নিরসনে শরিক দেশগুলো আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে এবং আইনের সংস্কার করবে। ১৬.১(গ) ধারায় বিবাহ এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে।
 
দিবসটি উপলক্ষে আজ ‘জাতিসংঘ সিডও কমিটির সমাপনী মন্তব্য (২০১৬) : বাস্তবায়ন পর্যালোচনা’ বিষয়ক কনসালটেশন সভার আয়োজন করেছে জাতীয় মহিলা পরিষদ। বিকাল সাড়ে ৩টায় প্রতিষ্ঠানের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। প্রধান অতিথি থাকবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল। বিশেষ অতিথি থাকবেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ গীতাঞ্জলি সিং।