আঞ্চলিকসর্বশেষ

সোনালী ধানের শীষ মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

রবিউল ইসলাম লালমনিরহাট সদর প্রতিনিধি কয়েকদিনের মধ্যেই কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হবে

সোনালী ধানের শীষ মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন রবিউল ইসলাম লালমনিরহাট সদর প্রতিনিধি কয়েকদিনের মধ্যেই কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হবে।

ধানের

লালমনিরহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান, এবার আমন ধান রোপন করা থেকে শুরু করে পরিচর্যায় খরচ বেশি হয়েছে। আর কিছুদিন পর পাকা ধান ঘরে উঠে শুরু হয়ছে সেই অপেক্ষায় দিন গুনছে কৃষকরা। পাকা ধান থেকে চাল তৈরি করে পিঠাপুলি পায়েস তৈরি করার জন্যও তারা প্রস্তুত। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা কাঙ্খিত ফলন পাবে।

এছাড়াও এই বছরে সোনালী বাম্পার ফলন হবে এবং বেশি দামে ধান বিক্রি করবে বলে আশা করছেন কৃষকেরা। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ১ টি পৌরসভা ঝাঁঝালো রোদের মাঝে মাঠে মাঠে সবুজ আর সোনালি ধানের হাসি যেন কৃষকদের মনে আনন্দ বয়ে আনছে।

গ্রামীণ জনপদে দিগন্তবিস্তৃত ফসলের মাঠ। মাঠে মাঠে সোনালি সমারোহ। বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকেরস্বপ্ন। কেউ আবার আগাম ঘরে তুলছে সোনালী ধান। গ্রামীণ জনজীবনে নবান্ন উৎসব যেন এখন শুধুই স্মৃতি। হেমন্তকালে মাঠে মাঠে দেখা যায় দিগন্তবিস্তৃত সোনালি

ধানের ক্ষেত। হেমন্তে বাংলার গ্রাম হেমবরণী। কমলা রোদে উজ্জ্বল সোনালি গুচ্ছ। এ সময় ধান সোনালি রঙ ধারণ করে। পাকা ধানের সোনালি রঙ দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভরে যায়। এ ঋতু মমতাময়ী জননীর মতো কৃষকের গোলা ভরে দেয় সোনালি ধানে। হৈমন্তী ধানের মিষ্টি গন্ধে আমোদিত হয় চারদিক। ঢেঁকির তালে আর ধান ভানার গানে

ধানের

কৃষক লাবু মিয়া জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে নবান্নের উৎসবে মেতে ওঠে গ্রামবাসী। গ্রাম-বাংলায় থেকে এবার ধানের ফলন ভালো হবে আশা করছি। সারা বছরের হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালি জাতির হাজার বছরের পুরনো সব কষ্ট ভুলে যায় এই ধানের শীষ দেখে।

ঐতিহ্যবাহী এবং সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎসব নবান্ন। নবান্ন উৎসবকে মনে করা হতো অসাম্প্রদায়িক উৎসব। হেমন্ত ঋতুতে অর্থাৎ অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকের নতুন বার্তা নিয়ে আমন ধানের আগমন।

লালমনির হাট উপজেলায় দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ, সবুজ বর্ণ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করার অপেক্ষায়। আর মাত্র

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট উপজেলায় ১৬ হাজার চার শ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমি।

উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের কৃষক গফ্ফার ইসলাম জনান, আমাদের মাঠে কিছু জমির ধান ফুলে সোনালি বর্ণ | ধারণ করেছে, আবার কিছু জমির ধান কেবল ফুলছে। তবে আর মাত্র কদিন পরেই মাঠের অধিকাংশ ধান পাকতে শুরু করবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকতক মোঃ রেজাউল করিম সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জানান, চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত কৃষকদের ধান ভালো পর্যায়ে আছে। অফিস থেকে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা সঠিক সময় আমন ধান ঘরে তুলবেন।

আরও পড়ুন

করলার মণ নেমেছে ৬০০ টাকায় সবজির দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button