বিনোদনসর্বশেষ

কিয়ারা বিয়ের পর কী রান্না করে খাইয়েছেন সিদ্ধার্থকে

কী রান্না করে খাইয়েছেন সিদ্ধার্থকে

কিয়ারা আদভানি এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের প্রেমে ছিলেন ?

কিয়ারা
কিয়ারা আদভানি

অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন কিয়ারা। দাম্পত্য জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা নন এই তারকা দম্পতি। তবে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তার বিবাহিত জীবনের শুরুর মজার তথ্য দিয়েছেন।পাঞ্জাবের ওয়াঘা সীমান্তে গিয়েছিলেন। ভারতীয় সৈন্যদের মধ্যে তাকে দেখা গেছে। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। এই পোস্টে তাকে ওয়াঘা বর্ডারে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যাচ্ছে। ওয়াঘা বর্ডারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তাকে সেনাদের সঙ্গে নাচতে দেখা যায়। এমনকী, বন্দুক হাতেও দেখা গেল বলিউডের এই অভিনেত্রীকে।

কিয়ারা কি মা হতে চলেছেন, অভিনেত্রীর নতুন ছবি নিয়ে জল্পনা জোরদার:

কিয়ারা
কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

এনডিটিভি আয়োজিত ‘জয় জওয়ান’ অনুষ্ঠানে, একজন ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা কিরারের কাছে জানতে চান তিনি একজন রাঁধুনি হিসেবে কতটা ভালো। মজার জবাব দিলেন কিয়ারা।প্রশ্ন ছিল, বিয়ের পর  নিজের হাতে প্রথম কোন খাবারটি তৈরি করেছিলেন? জবাবে অভিনেত্রী মৃদু হেসে বলেন, ‘আমি এখনও কিছু করিনি। আমি শুধু জল গরম করেছি।

সিদ্ধার্থ-কিয়ারা প্রেমের সিনেমার অপেক্ষায়!

কিয়ারা

কিন্তু থেমে থাকেননি। সিদ্ধার্থের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান। কারণ আমার স্বামী রান্না করতে ভালোবাসেন। দুজন-ই খুব ভালো রাঁধুনি। তাই বেশির ভাগ সময় সে নিজের জন্য কিছু বানায় আর আমি তাতে অংশ নিই। সে রুটিও বানাতে পারে। রুটি বানানো কঠিন কাজ। কিন্তু সে খুব ভালো রুটি বানায়।’

কিয়ারা
শেরশাহ’ ছবিতে কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা
বিয়ের পর প্রথমবার দুজন

চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানে দারুণ ধুমধাম করে বিয়ে করেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। ‘শেরশাহ’ ছবির শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। বিয়ের পর সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে ‘হালওয়া’-এর ছবি শেয়ার করে জানান, বিয়ের পর এটিই তার স্ত্রীর তৈরি প্রথম খাবার। এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকে তিনি খাবার রান্না করেননি। তাহলে এখন প্রশ্ন হল এই হালুয়া কে বানিয়েছে? ‘শেরশাহ’-তে কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা।

আরও পড়ুন
ভূমি এবার এক সাদা-কালো ছবিতে সম্পূর্ণ নতুন রূপে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button