সর্বশেষবিশেষ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দিনের বেলা ৪৮ লাখ টাকা ছিনতাই

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দিনের বেলা ৪৮ লাখ টাকা ছিনতাই

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে র‌্যাবের পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

 

ঢাকা

শনিবার ঢাকা ও পটুয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিবি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. সবুজ মিয়া ওরফে শ্যামল (৩৯), মো. সাহরুল ইসলাম ওরফে সাগর (২৩), আবু ইউসুফ (৪১), দিদার ওরফে দিদার মুন্সি (৩৫), মো. ফিরদৌস ওয়াহেদ (৩৫), মো. আলামিন দুয়ারী উলফ দীপু (৪২) এবং মো. দাউদ হোসেন মোল্যা (৩৯)।

ডিবি বলছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে প্রাইভেটকার, র‌্যাব লেখা জ্যাকেট, হাতকড়া, খেলনা পিস্তল, ওয়ারলেস সেট, মোবাইল ফোন, ২৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও ডাকাতির টাকায় কেনা ২৩ পিস স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে ডিবি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন ইয়া রাশেদ জানান, গত ১০ অক্টোবর বিকেলে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে র‌্যাবের পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।ঘটনার বিষয়ে হারুন অর রশিদ জানান, গত ১০ অক্টোবর মাদার টেক্সটাইল নামে একটি কোম্পানির দুই কর্মকর্তা অনিমেষ চন্দ্র সাহা ও মো. শাহজাহান মিয়ান আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের উত্তরা মডেল টাউন শাখা পরিদর্শন করেন। তিনি কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে নেন। তারা ব্যাংকে বসে পাওনাদার।

রাজন পেয়েছেন ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বাকি ৪৮ লাখ টাকা নিয়ে তারা কোম্পানির প্রাইভেটকারে চলে যান। প্রাইভেটকারটি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে খিলক্ষেত প্রাইম ডেন্টাল কলেজের কাছে এলে পেছন থেকে আরেকটি প্রাইভেটকার এসে গতি থামায়। মেরুন রঙের গাড়ি থেকে র‌্যাব লেখা জ্যাকেট পরা কয়েকজন বেরিয়ে আসেন। তিনি র‌্যাবের পরিচয় দিয়ে বলেন, কোম্পানির লোকজনের কাছে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। তিনি কোম্পানির কর্মকর্তা অনিমেষ ও শাহজাহানকে হুমকি দেন।

তাকে হাতকড়া পরানো হয়েছিল এবং চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল। পরে তিনি কোম্পানি কর্মকর্তা অনিমেষ, শাহজাহান ও চালক আবুল বাশারসহ বিভিন্ন স্থানে ২৫ মিনিট ঘোরাঘুরি করেন। ৩০০ ফুট রোডের বাউলিয়া সেতুতে নামানোর পর তারা টাকা নিয়ে কাঞ্চন সেতুর দিকে যায়।হারুন অর রাশেদ জানান, ডাকাতির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৫টি জেলায় ডাকাতির মামলা রয়েছে। তাকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে জামিনে বেরিয়ে আবার ডাকাতিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

সিলেটে পুলিশের হেফাজতে রায়হান হত্যায় সাক্ষ্য দিলেন পুলিশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button