রাজনীতিসর্বশেষ

খালেদা জিয়া কে কেবিনে স্থানান্তর

খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে অস্ত্রোপচার শেষে সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে।

খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া

শুক্রবার বিকেলে তাকে কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি আজ রাতে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান। ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে শায়রুল কবির বলেন, বিএনপি সভাপতির অবস্থা স্থিতিশীল।

খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া

লিভার ও কিডনি প্রতিস্থাপন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হামিদ রব, অধ্যাপক ক্রিস্টোস সাভাস জর্জিয়াডেস এবং বিশ্বখ্যাত জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক জেমস পিটার হ্যামিল্টন অসুস্থ  চিকিৎসার জন্য গত বুধবার রাতে ঢাকায় আসেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রান্সজুগুলার ইনট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস) পদ্ধতির মাধ্যমে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত লিভারের দুটি রক্তনালীর মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি হয়।

খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া

আজ নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে  অস্ত্রোপচার নিয়ে কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন বিদেশ থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসেছেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সিসিইউ (ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, গত রোববার রাতে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে বেগম জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে রোববার রাতে সিসিইউ থেকে ম্যাডামকে (বেগম খালেদা জিয়া) কেবিনে আনা হয়। কেবিনে সিসিইউ-এর যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং সিসিইউ নার্সরা কেবিনে এর সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। ডাঃ জাহিদ হোসেন জানান, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। তার অবস্থা আগের মতোই রয়েছে। সব পরামিতি আগের মত পরিবর্তন করা হয়. ১৩ নভেম্বর লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের কেবিনে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

প্রায় ৫৭ দিন পর তাকে কেবিনে ফিরিয়ে আনা হয়। শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডা. তারা ইতোমধ্যে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পঞ্চম আবেদন করেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার। কিন্তু সরকার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়।

যে কাজের জন্য তাঁরা এসেছেন, যে প্রক্রিয়ার জন্য তাঁরা এসেছেন, সেই প্রক্রিয়া তাঁরা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পালন করতে পেরেছেন।

আরোও পড়ুন
বিএনপির দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button