সর্বশেষজাতীয়

আমেরিকান চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমেরিকান চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের থেকে আসা তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক হামিদ রব, অধ্যাপক ক্রিসটোস স্যাভাস জর্জিয়াডেস ও জেমস পিটার হ্যামিলটন অস্ত্রোপচার শুরু করেছেন।

আমেরিকান
খালেদা জিয়া

এ সময় তাদের সঙ্গে আছেন ডা. এফ এম সিদ্দিকী, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ।বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সন্ধ্যা পৌনে ৭ টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় অস্ত্রোপচার চলছে।

আমেরিকান মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়ার) লিভার সিরোসিস জটিলতার কারণে ফুসফুসে পানি জমা ও রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগলার ইন্ট্রাহেপাটিক পোরটোসিসটেমিক সান্ট (টিপস) পদ্ধতি শুরু করেছেন মার্কিন চিকিৎসক দল। সন্ধ্যা ৬টায় তারা অস্ত্রোপচার শুরু করেন।

আমেরিকান

গতকাল বুধবার (২৫ অক্টোবর) রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঢাকায় পৌঁছান। তারা হলেন-আমেরিকান যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের লিভার ও কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হামিদ রব,

ইন্টারভেনশনাল অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ক্রিসটোস স্যাভাস জর্জিয়াডেস এবং হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক জেমস পিটার হ্যামিলটন।হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের আমেরিকান একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড অনেকদিন ধরেই তার লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদরোগে ভুগছেন।

আমেরিকান
খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়া

গত ৯ আগস্ট ৭৮ দিন ধরে রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন থেকে তিনি আমেরিকান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখন তার লিভার, হৃদযন্ত্র ও কিডনির সমস্যা জটিল অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

উল্লেখ্য, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে বাড়িয়ে কারাগারের বাইরে নিজ বাসায় রাখা হচ্ছে তাকে। এ পর্যন্ত মোট আটবার তার শর্তসাপেক্ষ মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

সরকার সংঘাত ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি ফখরুল

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button